https://www.facebook.com/share/1CXwhqtyWm/
post_top_ad

বিয়ানীবাজারে ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ,অবিবাহিত নারীর বিরুদ্ধে।

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ন

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার পূর্ব মুড়িয়া ইউনিয়নের পাথারীপাড়া গ্রামে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রায় ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত ৩০টি পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাঁদের অভিযোগ, টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে অভিযুক্তদের হাতে তুলে দিয়েও এখন তাঁরা চরম বিপাকে পড়েছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আফরোজা আক্তার নামের এক অবিবাহিত নারী নিজের মেয়ের বিয়ের কথা বলে গ্রামের মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করেন। এ সময় তিনি একেকটি পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন এবং সেই ঋণের কিস্তি নিজেই পরিশোধ করবেন বলে আশ্বাস দেন। তাঁর কথায় বিশ্বাস করে অনেকেই বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে টাকা দেন। কিন্তু পরে টাকা ফেরত না দিয়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের মুসলিমা বেগম, অভিযুক্ত আফরোজা আক্তার, তাঁর মা হাসিনা বেগম, ভাই আবির হোসেনসহ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের কাছে গ্রামের বিভিন্ন মানুষের বিপুল পরিমাণ টাকা পাওনা রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করছেন তাঁরা।

ভুক্তভোগীরা আলেয়া বেগম জানান, অভিযুক্তদের বিশ্বাস করে কেউ নিজেদের জমানো টাকা, আবার কেউ এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে অর্থ দিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল নির্ধারিত সময়ে টাকা ফেরত পাওয়া এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা। কিন্তু টাকা ফেরত না পাওয়ায় এখন নিজেরাই ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন। নিম্ন আয়ের কয়েকটি পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাপনও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে দাবি তাঁদের।

গ্রামবাসীর ভাষ্য, অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ায় পাওনা টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থ উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ভুক্তভোগীরা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, পাওনা টাকা উদ্ধারের উদ্যোগ এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের হয়েছে কি না, সে বিষয়টিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

বিয়ানীবাজার থানার ওসি সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমাদের কাছে কোন লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি দিলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

post_bottom_ad