https://www.facebook.com/share/1CXwhqtyWm/
post_top_ad

শেখ হাসিনার ‘ডিসেম্বর বার্তা’: রাজনৈতিক কৌশল নাকি বাস্তব প্রত্যাবর্তন?

আমাদের বাংলাদেশ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ন

কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর নড়েচড়ে বসেছে দলের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল। দেশে ফেরার সম্ভাবনাকে সামনে রেখে দলটির ভেতরে চলছে নানামুখী প্রস্তুতি। মাঠে দৃশ্যমান তৎপরতা না থাকলেও ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে সাংগঠনিক দায়িত্ব বণ্টন, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোকে সক্রিয় করা এবং নিয়মিত সভা-সেমিনারের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখার চেষ্টা চলছে।

অন্যদিকে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। তিনি কোন প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরবেন? তার ফেরায় সরকারের সিদ্ধান্ত বা অনুমতির প্রয়োজন কতটা? ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা নিজে সিদ্ধান্ত নিলেও বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা কী হবে? আর আওয়ামী লীগ নেতারা যে প্রস্তুতির কথা বলছেন, তা কতটা বাস্তবসম্মত? রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও আইনজীবীদের মতে, এই ঘোষণার নেপথ্যে রয়েছে দলীয় অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা ও রাজনৈতিক কৌশল, তবে শেষ পর্যন্ত তার প্রত্যাবর্তন নির্ভর করছে আইনি ও সরকারি প্রক্রিয়ার ওপর।

ট্রাভেল ডকুমেন্ট ও আইনি বাধ্যবাধকতা

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা থাকলে দেশে ফেরার পর তিনি গ্রেপ্তার হবেন, সেটি ভিন্ন আইনি বিষয়। কিন্তু বিমানবন্দর পর্যন্ত আসতে তার কোনো বাধা থাকার কথা নয়, যদি সরকার বাধা না দেয়। তবে, এখানে সরকারের একটি সরাসরি সম্পৃক্ততা লাগবে। কারণ, বর্তমানে তার কাছে পাসপোর্ট বা বৈধ ট্রাভেল ডকুমেন্ট নেই। বিদেশ থেকে বিমানে আসতে হলে একটি ভ্রমণ দলিল লাগে, যা বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকেই ইস্যু করতে হবে। আর হাইকমিশন সরকারের নির্দেশনার বাইরে কোনো কাজ করবে না।’

গ

post_bottom_ad