https://www.facebook.com/share/1CXwhqtyWm/
post_top_ad

কমলগঞ্জে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ন

‘৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মসূচির আওতায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের খামারি, তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের প্রত্যেকের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির পাঁচটি করে চারা গাছ বিতরণ করা হয়। এ কর্মসূচিতে সর্বমোট ৪২ জন উপকারভোগীর মধ্যে চারা বিতরণ করা হয়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. শ্যামল কুমার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সন্দীপ তালুকদার।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তরুণ উদ্যোক্তা, কৃষিবিদ ও সমাজসেবক মুঈদ আশিক চিশতী, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি (এনপিএস) মৌলভীবাজার জেলা শাখার কো-অর্ডিনেটর মোঃ আব্দুস সালাম, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমেদুজ্জামান আলম এবং সিনিয়র সাংবাদিক এম এ ওয়াহিদ রুলু। এছাড়া প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও উপকারভোগী খামারিরা উপস্থিত ছিলেন।


বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু গাছ লাগানোর কর্মসূচি নয়; এটি পরিবেশ, কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য বড় হলেও সম্মিলিত প্রচেষ্টা, জনগণের অংশগ্রহণ এবং রোপণ করা চারার যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন সম্ভব।


তারা আরও বলেন, একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না; মাটি সংরক্ষণ, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রাণিসম্পদের সঙ্গেও বৃক্ষের সম্পর্ক নিবিড়। খামারে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগালে গবাদিপশুর জন্য ছায়া ও আশ্রয় তৈরি হয়, অতিরিক্ত তাপ থেকে পশুকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হয় এবং তাপজনিত চাপ কমাতে সহায়তা করে।
বক্তারা বলেন, ঘাস, নেপিয়ার, গাছের পাতা ও অন্যান্য পশুখাদ্য উপযোগী উদ্ভিদ

 পরিকল্পিতভাবে উৎপাদন করা হলে খামারে খাদ্যের একটি অংশ নিজস্বভাবে জোগান দেওয়া সম্ভব। এতে উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও টেকসই করা যাবে।
খামারিদের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, শুধু রাস্তার পাশে নয়, প্রতিটি খামার, বাড়ির আঙিনা, পতিত জমি ও উপযুক্ত স্থানে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগাতে হবে। একই সঙ্গে গাছ লাগানোর পর নিয়মিত পরিচর্যা করে চারার বেঁচে থাকা নিশ্চিত করতে হবে।


তারা বলেন, “আজকের একটি চারা, আগামী দিনের ছায়া। আজকের সবুজ উদ্যোগ, আগামী দিনের নিরাপদ জীবন।”


বক্তারা সবাইকে সম্মিলিতভাবে সবুজ, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।

post_bottom_ad